শিরোনামঃ

সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

বিশেষ প্রতিনিধিঃ জুড়ীতে মোরগের খামারে ভাঙচুরের ঘটনায় নিজের কোন সম্পৃক্ততা নেই  বলে দাবি করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুক। সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাঁর নির্বাচনী প্রতিপক্ষ পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছে।

মোঈদ ফারুক বলেন, ঘটনার দিন সকালে উপজেলা পরিষদে দু’টি কম্বাইন হার্ভেস্টার (ধান কাটার যন্ত্র) বিতরণ করা হয়। এদিন বিকেলে স্থানীয় লোকজন আমাকে ফোন দিয়ে মেশিনটি দেখতে যেতে বলেন। তারাবীর নামাজের পর সাইদুল ইসলাম আমাকে নিয়ে যায়। দীনবন্ধু সেনের খামারে মেশিনটি রাখা ছিল। সেখানে গিয়ে মেশিনটি দেখার সময় উপস্থিত লোকজন খামারের বিষয়ে অভিযোগ করেন। আমি নিজেও খামারের দুর্গন্ধে সেখানে ঠিকতে পারিনি। ওদের সাথে কথা বলার সময় হঠাৎ করে কে বা কারা একটি ঢিল মারে। এতে বদরুল নামক স্থানীয় এক লোক আহত হলে উপস্থিত ৫০/৬০ জন লোক খামারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়। খামারের পশ্চিম দিকেও কিছু লোক ভাঙচুর করে। সবাই খালি হাতে ছিল। আমি ওদের নিবৃত করি। সেই সাথে পুলিশ ও অ্যাম্বুুলেন্সকে ফোন দেই। পরে সেখানে থাকা ধান কাটা মেশিনের কিছু যন্ত্রাংশ ও খামারের ১টি জেনারেটর স্থানীয় মইন উদ্দিনের জিম্মায় রেখে সাইদুুলের বাড়ীতে চা খেতে যাই। সেখানে কয়েকজন লোক জড়ো হয়ে বাড়ীতে ঢিল মারে। এসময় আনফর মেম্বার তার দুই পুত্র ও স্থানীয় বাসিন্দা জামাল সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে শুনলাম শাহাজান নামে একজন আহত হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, “অনেকে বলেছেন আমি পিস্তল নিয়ে সেখানে গিয়েছি কিন্তু দেশে বৈধ বা অবৈধ কোন অস্ত্রই আমার নেই। ইলেক্ট্রনিক স্মোকারকে (ভেপার) কেউ আগ্নেয়াস্ত্র ভাবতে পারেন”।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত উপজেলা চেয়ারম্যানের সহকর্মী আফজাল হোসেন চিকন বলেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর রায় মনি ৪ কিলোমিটার দুরে থেকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কিন্তু স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাস ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস নিকটতম বাসিন্দা হয়েও ঘটনাস্থলে যাননি। উনারা উপস্থিত হলে এরকম পরিস্থিত হতোনা।

অন্যান্য খবর পড়ুন