শিরোনামঃ

জুড়ীতে সরকারি খাল উদ্ধার করলেন ইউএনও

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলাম এর উদ্যোগে একটি সরকারি খাল উদ্ধার করা হয়েছে এবং ওই খালটি পুনঃখননের ফলে কৃষিজমির জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।

উপজেলার পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়নের বাছিরপুরের ফসলি জমি থেকে জুড়ী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল খালটি। ধীরে ধীরে পলি জমে খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় কয়েকজন খালের উপর বাড়িঘর তৈরি করে ফেলায় ওপাশের ফসলি জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের পথ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্থানীয় কৃষকদের প্রায় ১৫০ একর জমিতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতার ফলে স্থানীয় কৃষকদের এসব জমিতে ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ে। সরকারি খাল উদ্ধার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ জানায়।

পরবর্তীতে গণশুনানিতে উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে খালের জমি থেকে অবৈধ বসবাসকারীদের স্বেচ্ছায় সরে যেতে সম্মত করান ইউএনও। সম্প্রতি ইউএনও সরজমিনে গিয়ে উভয় পক্ষ সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এর উপস্থিতিতে সরকারি খাল উদ্ধার করেন। ওইদিন স্থানীয় কৃষকরা সেচ্ছাশ্রমে উদ্ধারকৃত খালটি পুনঃ খনন কাজ শুরু করেন।

জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেন, সরকারি খাল দখলের ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়ার পর গণশুনানিতে উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করার পর খালের জমি থেকে অবৈধ বসবাসকারীরা স্বেচ্ছায় সরে যেতে সম্মত হয়। দখলকারীরা ভূমিহীন ও গৃহহীন হওয়ায় তাদের ভিন্ন কোথাও পুনর্বাসনের বিষয়ে চেষ্টা করা হবে। সরকারি খাল উদ্ধার করার পর স্বেচ্ছাশ্রমে স্থানীয় কৃষকরা খালটি পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেন। খাল খনন সম্পূর্ণ হলে দেড় শতাধিক একর কৃষি জমির জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং ফসল চাষের উপযোগী হবে। তাছাড়া পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাসের সহযোগিতায় এখানে একটি কালভার্ট নির্মাণ করে দেয়া হবে। বড় রকমের ভোগান্তি থেকে রেহাই পেয়ে স্থানীয় লোকজন ইউএনও আল-ইমরান রুহুল ইসলাম ও পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাসের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অন্যান্য খবর পড়ুন