শিরোনামঃ

বড়লেখায় মহিলা আওয়ামীলীগ সভাপতির মিথ্যা পরিচয়ে জেবিন নাহারের প্রচারণা!

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জেবিন নাহার জেলি নামের এক নারীর বিরুদ্ধে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পরিচয়ে ব্যনার, ফেস্টুন দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। বাস্তবে জেবিন নাহার জেলি বড়লেখা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নন। এমনকি এই নামে বড়লেখা মহিলা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীও নেই বলে জানিয়েছেন মৌলভীবাজার জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাংসদ সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন। সোমবার (২ নভেম্বর) তিনি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় মোছা. শাহিদা আক্তার এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের একটি আহ্বায়ক কমিটি আছে। এই কমিটির আহব্বায়ক মোছা. শাহিদা আক্তার। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বড়লেখা উপজেলায় জনৈক জেবিন নাহার জেলি নামের একজন মহিলা নিজেকে বড়লেখা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দাবি করে ব্যানার, পোস্টারসহ প্রচার-প্রচারণা করছেন। কার্যত জেবিন নাহার জেলি নামে বড়লেখা মহিলা আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য নাই বা তাঁর সাথে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নাই। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই রকম প্রচার, প্রচারণা হতে বিরত থাকার জন্য তাঁকে নির্দেশ প্রদান করা হল। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বড়লেখা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দাবি করে প্রচারণা চালানো জেবিন নাহার জেলি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। জানা গেছে, জেবিন নাহার জেলির বাড়ি বড়লেখা উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে। বর্তমানে বড়লেখা পৌর শহরে ভাড়া বাসায় থাকেন।

বড়লেখা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শাহিদা আক্তার বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয় জেবিন নাহার নামের একজন নারী নিজেকে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দাবি করে প্রচারণা করছেন। তার কার্যক্রমে সবাই বিব্রত। এ নিয়ে আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। বিষয়টি আমরা দলীয় নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন।’

মৌলভীবাজার জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন বলেন, ‘বড়লেখায় আমাদের মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি আছে। কমিটির আহব্বায়ক হচ্ছেন শাহিদা আক্তার। যে মহিলা সভাপতি দাবি করে প্রচারণা চালাচ্ছে তার সাথে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পৃক্তাতা নেই। সে দলের কোনো পর্যায়ের কর্মীও নয়। এই মহিলা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আমি বিষয়টি পুলিশ সুপার ও স্থানীয় থানার ওসিকেও অবগত করেছি। প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অন্যান্য খবর পড়ুন