শিরোনামঃ

হাতছানি দিয়ে ডাকছে নয়ন জুড়ানো লেমন গার্ডেন রিসোর্টের প্রকৃতি

সাইফুল ইসলাম সুমন, শ্রীমঙ্গল থেকেঃ দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এখানকার ছোট-বড় চা-বাগানগুলো যেন সবুজের আচ্ছাদনে গড়ে তুলেছে এক প্রাকৃতিক ভূ-স্বর্গ। চারদিকের এই সবুজের সমাহার হরহামেশাই প্রকৃতি প্রেমীদের সম্মোহিত করে। শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের জন্য রয়েছে সব মন জুড়ানো নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্যসহ বেশ কয়েকটি রিসোর্ট। এর মাঝে ব্যতিক্রমী একটি রিসোর্ট হলো লেমন গার্ডেন রিসোর্ট। যা ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশের পর্যটকদের নজড় কাড়তে সক্ষম হয়েছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেঁরা লেমন গার্ডেন রিসোর্টের রয়েছে থাকার জন্য দৃষ্টিনন্দন বেশ কয়েকটি কটেজ, স্পা, সুইমিং, কিডস জোন, জাকোজি, ইনডোর গেইম, রেস্টুরেন্ট, সেমিনার হল, শিশুদের বিনোদন মূলক খেলা-ধুলাসহ পার্ক ও বাম্পার কার, রয়েছে পাক-পাখালী আর জঙ্গলের হরিণ। পুরো রিসোর্ট জুড়েই আছে বিভিন্ন ফুল ও ফলের হাজারো গাছ-গাছালী। নির্জন প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলার এ যেন এক স্বর্গরাজ্য। লেমন গার্ডেন রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রকৃতি প্রেমী সেলিম ভাই তারঁ নিজের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন এখানে। না দেখলে বুঝাই যাবেনা তাঁর রুচি বোধের পরিচয়। অত্যন্ত মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে বাগান ঘেরা পাহাড়ি টিলার উপর রির্সোটটিতে আপনি অনায়াসে কাটিয়ে দিতে পারবেন কয়েকটি দিন। তারপর ওই স্থান থেকে চলে গেলেও বার বার আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে নয়ন জুড়ানো এই রিসোর্টটিতে।

জানতে চাইলে লেমন গার্ডেন রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা সেলিম মিয়া বলেন, ১৫২ বিঘা ভূমির উপর প্রথমে আমি একটি লেবু বাগান করেছিলাম। লেবু বাগানে একটি মনোরম বাংলো ছিলো। পরবর্তীতে এই বাংলোটিকে ঘিরেই মূলত এই রিসোর্টের স্বপ্ন দেখা। ধিরে ধিরে আমি আমার স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে শুরু করলাম। আমার স্বপ্নের প্রজেক্টটি এখন অনেকেরই স্বপ্নের জায়গা হয়েছে। এটাই আমার স্বার্থকতা।

এখানে কিকি আছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আসলে এখানে কিকি আছে তা বলা মুশকিল, এখানে কিকি নেই সেটা বলেন। এখানে সবজি, ফল-মুল ও ফুল কত প্রকারের আছে তা বলে শেষ করা যাবেনা। আমি এখনও নতুন কোন গাছের সন্ধ্যান পেলে রাত নেই দিন নেই যত দুরেই হউক আমি সেখানে ছুটে যাই। এখানে লেবু বাগান, মাল্টা বাগান, পেপে বাগান, সবজি বাগানসহ সব ধরনের বাগান রয়েছে। পর্যটক এবং আমাদের গেষ্টরা নিজেদের হাতে ফলমূল পেড়ে খান এবং আমাদের বাগানের সবজি তুলে রান্না করার জন্য দেন। এখানে বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য রয়েছে। আসলে এখানে ন্যাচারেল প্রকৃতির যতকিছু প্রয়োজন আমরা এর সবকিছু রাখার চেষ্টা করছি। প্রকৃতি ঠিক রেখে আগামিতে আরো যা যা করা যায় আমি এখানে তাই করবো। এক কথায় পৃথিবীর মানুষের জন্য একটি প্রাকৃতিক দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা তৈরী করে যেতে চাই।

অন্যান্য খবর পড়ুন