শিরোনামঃ

জুড়ীর ফুলতলা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত যুবকের লাশ ফেরত চায় পরিবার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক হত্যার দুই দিনেও লাশ ফেরত আসেনি বাংলাদেশে। নিহতের পরিবার লাশ ফেরত চেয়ে বিজিবির কাছে লিখিত আবেদন করলেও আবেদন টি গ্রহণ করেনি বিজিবি।

এ ঘটনায় রবিবার (২১ মার্চ) বেলা ২ টায় ভারত সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে লাশ ফেরত নিতে বিজিবিকে চিঠি দেন বিএসএফ। তখন বিজিবি লাশ নেওয়ার বিষয়টি পরে বিএসএফ-কে জানাবেন বলে পতাকা বৈঠকের সমাপ্তি করে চলে আসেন। ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকা ভারতের কদমতলা থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার জানান, বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবি কে লাশ গ্রহণ করার জন্য বলা হয়েছে। বিজিবি লাশ নেওয়ার ব্যাপারে পরে জানাবেন বলে বৈঠকে বলেন। নিহত যুবক বাপ্পার বাবা আবদুল রউফ জানান, আমি আমার ছেলের লাশ ফেরত চাই। এ বিষয়ে বিজিবির কাছে আবেদন করলে তারা আমার আবেদনটি গ্রহণ করেননি। আমি আপনাদের মাধ্যমে বিজিবির কাছে অনুরোধ করছি অনতিবিলম্বে আমার ছেলের লাশ যেন ফেরত আনা হয়।

এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এবং ফুলতলা ক্যাম্পের কমান্ডার কে বার বার মোবাইলে কল দিলেও তাঁরা ফোন রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, শনিবার (২০ মার্চ) ভোরের দিকে উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের পূর্ব বটুলী এলাকায় বাংলাদেশি পিলার ১৮২২ এর বিপরীত পাশে ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়ার অভ্যন্তরে ওই যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত যুবকের নাম আব্দুল মুমিন বাপ্পা মিয়া (৩০)। তিনি উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের পূর্ব বটলী গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে।

অন্যান্য খবর পড়ুন