শিরোনামঃ

লকডাউনের চতুর্থ দিনে জুড়ীতে ১০ মামলা, জরিমানা ৬৫০০ টাকা

সাইফুল ইসলাম সুমনঃ অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলেই আটক কিংবা অর্থদণ্ডের মধ্য দিয়ে জুড়ীতে চলে টানা চতুর্থ দিনের মতো কঠোর লকডাউন। অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। অযথা ঘোরাফেরা করলেই আইনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। লকডাউনের চতুর্থ দিন রোববার (৪ জুলাই) জুড়ীতে মোবাইল কোর্ট অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অপ্রয়োজনে বাইরে থাকা ও মাস্ক না পরার অপরাধে ৯ জনকে ১৫০০ টাকা জরিমানাসহ মোট ৬৫০০ টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোনিয়া সুলতানা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি নিয়ে জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মুল আইন ২০১৮ অনুযায়ী ০৯ জনকে ১৫০০টাকা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী ১টি মামলায় ৫,০০০ টাকা অর্থ দন্ড সহ মোট ৬৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয় এবং বিধিনিষেধ এর আওতাধীন দোকান পাট বন্ধ করা হয়।

এদিকে রোগীবাহী বা জরুরি কাজে নিয়োজিত পরিবহন ছাড়া সড়কে যেকোনো পরিবহন দেখলেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দোকানপাট, মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ রয়েছে। খোলা রয়েছে ফার্মেসিসহ নিত্যপণ্যের দোকান।

অভিযানের সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোস্তাফিজুর রহমান, জুড়ী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশন সিলেট সেনানিবাসের অধীনস্থ ৫০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি’র সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন রিয়াদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ওইদিন দুপুরে কঠোর লকডাউনে জুড়ীতে সেনাবাহিনীর অভিযান কর্মকান্ড পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশন সিলেট সেনানিবাসের অধীনস্থ ৫০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি’র সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সরাফ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোনিয়া সুলতানা বলেন, স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি আইন অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যান্য খবর পড়ুন